ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম।।
নওগাঁ কে. ডি. স্কুলের প্রাক্তন কৃতিছাত্র ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ হুমায়ূন কবির (১৯০৬-১৯৬৯) ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ভারত সরকারের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি একদিকে আধুনিক শিল্পসাহিত্যের জগতে বিচরণ করেছেন অবলীলাক্রমে। আবার একই সাথে রাষ্ট্রিক-সামাজিক ক্ষেত্রে দেখাতে পেরেছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য। বাঙালি ও বাঙালি মুসলমান হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বভারতীয় জনতার প্রতীক ও বটবৃক্ষ নামক একজন মহীরূহ। যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে উপমহাদেশের ইতিহাসে তুলনারহিত দৃষ্টান্ত হিসেবে বাঙালিকে আজীবন মনে রাখতে হয়। রবীন্দ্রত্তোর সময়ে যে কয়জন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষকে আজীবন বিশেষ অবদানের জন্য চিরস্মরণীয় তাঁদের মধ্য তিনি অন্যতম।
ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষ ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খান বাহাদুর কবিরুদ্দিন আহমদ ছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। পিতার চাকরি সূত্রে তিনি নওগাঁর কে.ডি. স্কুলে পড়েছেন। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে এই স্কুল থেকে তিনি ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে বোর্ডে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সসহ প্রথম বিভাগে সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এম. এ. পাস করেন। তিনি পুনরায় লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন, ইতিহাস ও ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীকালে অধ্যাপক পদ লাভ করেন।
বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মানুষ হওয়ার পরেও আদর্শগত কারণে দেশ বিভাজনের পরেও ভারতের মাটিতেই অবতরণ করেন। ভারতবাসীর কল্যাণের কথা চিন্তা করে পাকাপোক্তভাবে সেখানেই থেকে যান। উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকাও পালন করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের (১৮৮৮-১৯৫৮) সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৫৭ সালে ক্যানবেরায় এক সম্মেলনে তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে সভায় সভাপতিত্ব করে বক্তব্য রাখেন।
১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে যোগদানের পর তিনি বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বঙ্গীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হকের রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত হন। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান এবং ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ভারতবর্ষে শিক্ষা সচিবের পদে আসীন হন। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে জওহরলাল নেহেরুর পরামর্শে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগদান করেন। কংগ্রেসে যোগদান করে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে কংগ্রেসের মনোনয়নে পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাট নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি ভারতীয় লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সংস্কৃতি দপ্তরের কেবিনেট মন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নেহেরু সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪-১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রীসভার শিক্ষা ও পেট্টোলিয়াম মন্ত্রী ছিলেন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন কবির দর্শন, সাহিত্য ও সমাজতত্ত্বের উপর বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বহুমূল্যবান গ্রন্থ রচনা করে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। হুমায়ুন কবীরের সাহিত্যবোধ ও বিশ্লেষণী শক্তি যে অনন্যতায় উঁচুমানের ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
তাঁর সাহিত্যতত্ত্ব ও সমালোচনামূলক রচনা পাঠ করলে বিস্ময় নিয়ে তা অনুধাবনীয় হয়ে ওঠে। তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একটি স্থায়ী আসন পেয়েছেন। এ বিষয়ে প্রথমেই তাঁর গ্রন্থ ‘বাংলার কাব্য’ (১৯৪১) গ্রন্থটি উল্লেখ্যযোগ্য।
সাহিত্য, দর্শন ও রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্রে তিনি জীবনকে মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দৃষ্টি দিয়ে মূল্যায়ন করতেন। সর্বভারতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ড কখনই ভেদবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি। এমন কথার দৃষ্টান্ত হিসেবে তাঁর ‘মুসলিম পলিটিক্স ইন বেঙ্গল’ গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করা যায়। তাঁর রচিত ‘ধারাবাহিক’ গ্রন্থের কিছু প্রবন্ধেও তৎকালীন মুসলিম সমাজ ও রাজনীতির কথা এবং গতিপ্রকৃতি আলোচিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে নওগাঁ জেলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কে.ডি স্কুলটিতে যতসংখ্যক ছাত্র অধ্যয়ন করে প্রশংসনীয় সাফল্য দেখাতে পেরেছেন তাঁদের মধ্যে হুমায়ূন কবিরের নাম ইতিহাসে স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছে। বহুগুণে গুণান্বিত মহৎ সত্ত্বার অধিকারী এই মানুষটি ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে পরলোক গমন করেন।
নওগাঁর কেডিয়ান হুমায়ূন কবির
নওগাঁ কে. ডি. স্কুলের প্রাক্তন কৃতিছাত্র ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ হুমায়ূন কবির (১৯০৬-১৯৬৯) ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ভারত সরকারের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি একদিকে আধুনিক শিল্পসাহিত্যের জগতে বিচরণ করেছেন অবলীলাক্রমে। আবার একই সাথে রাষ্ট্রিক-সামাজিক ক্ষেত্রে দেখাতে পেরেছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য। বাঙালি ও বাঙালি মুসলমান হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বভারতীয় জনতার প্রতীক ও বটবৃক্ষ নামক একজন মহীরূহ। যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে উপমহাদেশের ইতিহাসে তুলনারহিত দৃষ্টান্ত হিসেবে বাঙালিকে আজীবন মনে রাখতে হয়। রবীন্দ্রত্তোর সময়ে যে কয়জন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষকে আজীবন বিশেষ অবদানের জন্য চিরস্মরণীয় তাঁদের মধ্য তিনি অন্যতম।
ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষ ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খান বাহাদুর কবিরুদ্দিন আহমদ ছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। পিতার চাকরি সূত্রে তিনি নওগাঁর কে.ডি. স্কুলে পড়েছেন। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে এই স্কুল থেকে তিনি ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে বোর্ডে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সসহ প্রথম বিভাগে সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এম. এ. পাস করেন। তিনি পুনরায় লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন, ইতিহাস ও ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে তিনি ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীকালে অধ্যাপক পদ লাভ করেন।
বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মানুষ হওয়ার পরেও আদর্শগত কারণে দেশ বিভাজনের পরেও ভারতের মাটিতেই অবতরণ করেন। ভারতবাসীর কল্যাণের কথা চিন্তা করে পাকাপোক্তভাবে সেখানেই থেকে যান। উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকাও পালন করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের (১৮৮৮-১৯৫৮) সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৫৭ সালে ক্যানবেরায় এক সম্মেলনে তিনি প্রথম বাঙালি হিসেবে সভায় সভাপতিত্ব করে বক্তব্য রাখেন।
১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে যোগদানের পর তিনি বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বঙ্গীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হকের রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত হন। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান এবং ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ভারতবর্ষে শিক্ষা সচিবের পদে আসীন হন। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে জওহরলাল নেহেরুর পরামর্শে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগদান করেন। কংগ্রেসে যোগদান করে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে কংগ্রেসের মনোনয়নে পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাট নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি ভারতীয় লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সংস্কৃতি দপ্তরের কেবিনেট মন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নেহেরু সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪-১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রীসভার শিক্ষা ও পেট্টোলিয়াম মন্ত্রী ছিলেন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন কবির দর্শন, সাহিত্য ও সমাজতত্ত্বের উপর বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বহুমূল্যবান গ্রন্থ রচনা করে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। হুমায়ুন কবীরের সাহিত্যবোধ ও বিশ্লেষণী শক্তি যে অনন্যতায় উঁচুমানের ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
তাঁর সাহিত্যতত্ত্ব ও সমালোচনামূলক রচনা পাঠ করলে বিস্ময় নিয়ে তা অনুধাবনীয় হয়ে ওঠে। তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একটি স্থায়ী আসন পেয়েছেন। এ বিষয়ে প্রথমেই তাঁর গ্রন্থ ‘বাংলার কাব্য’ (১৯৪১) গ্রন্থটি উল্লেখ্যযোগ্য।
সাহিত্য, দর্শন ও রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্রে তিনি জীবনকে মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দৃষ্টি দিয়ে মূল্যায়ন করতেন। সর্বভারতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ড কখনই ভেদবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি। এমন কথার দৃষ্টান্ত হিসেবে তাঁর ‘মুসলিম পলিটিক্স ইন বেঙ্গল’ গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করা যায়। তাঁর রচিত ‘ধারাবাহিক’ গ্রন্থের কিছু প্রবন্ধেও তৎকালীন মুসলিম সমাজ ও রাজনীতির কথা এবং গতিপ্রকৃতি আলোচিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে নওগাঁ জেলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কে.ডি স্কুলটিতে যতসংখ্যক ছাত্র অধ্যয়ন করে প্রশংসনীয় সাফল্য দেখাতে পেরেছেন তাঁদের মধ্যে হুমায়ূন কবিরের নাম ইতিহাসে স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছে। বহুগুণে গুণান্বিত মহৎ সত্ত্বার অধিকারী এই মানুষটি ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে পরলোক গমন করেন।
ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম
গবেষক, প্রাবন্ধিক, ইতিহাসজ্ঞ
এবং
সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ, নওগাঁ সরকারি কলেজ, নওগাঁ
Leave a Reply